কাউখালীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান-এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান-এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
কাউখালী প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান-এর বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এ সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাইসুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবির, উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাফিউল আজম দুলাল, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, অধ্যক্ষ মাওলানা হোসাইন আহমেদ, হাফেজ মাওলানা এবাদত হোসেন, প্রধান শিক্ষক সামছুর রহমান মিজান, সুব্রত রায়, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাবেক সভাপতি তারিকুল ইসলাম পান্নু এবং পুরোহিত জ্যোতিময় রতন চক্রবর্তী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটির যৌথ সঞ্চালনা করেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান কাউখালীতে দায়িত্বপালনকালীন তাঁর স্মৃতি ও অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
কাউখালীতে দায়িত্ব পালনকালে মানুষের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা আমি কখনো ভুলব না। প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ এবং সাধারণ জনগণের কাছ থেকে যে অভূতপূর্ব সহযোগিতা পেয়েছি, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন।
"আমার মূল লক্ষ্য ছিল উপজেলা প্রশাসনকে একটি শতভাগ জনবান্ধব ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং স্থানীয় অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়াই ছিল আমার অগ্রাধিকার।
তিনি আরো বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বদলি হওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু এখানকার মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান আমার হৃদয়ে চিরকাল থাকবে। কাজের খাতিরে যদি কারো মনে ভুলবশত কষ্ট দিয়ে থাকি, তবে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। কাউখালীর সার্বিক সমৃদ্ধি ও সুশাসন অব্যাহত থাকুক-এই শুভকামনা জানাই।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স